ইবির শাপলা ফোরামের নির্বাচনে জয়ী হলেন যারা

 প্রকাশ: ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:২৭ অপরাহ্ন   |   শিক্ষা

ইবির শাপলা ফোরামের নির্বাচনে জয়ী হলেন যারা


ইবি প্রতিনিধি:

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রগতিশীল শিক্ষক সংগঠন শাপলা ফোরামের কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন-২০২২ অনুষ্ঠিত হয়েছে।


রবিবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মমতাজ ভবনে এ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। পরে দুপুর ২টা থেকে ভোট গণনা শুরু করেন নির্বাচন কমিশন।


ভোট গণনা শেষে রাত ৮টার দিকে ফলাফল ঘোষণা করেন কার্যনির্বাহী পরিষদ-২০২২ এর আহ্বায়ক অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. দেবাশীষ শর্মা। এতে সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত ১৫জন জয়ী হয়েছেন ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ মামুনুর রহমান ১৬২ টি ভোট পেয়ে প্রথম স্থান, পর্যায়ক্রমে একই বিভাগের অধ্যাপক ড. মিয়া মোঃ রাশিদুজ্জামান পেয়েছেন ১৪৪টি ভোট, ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ মাহবুবুল আরফিন (১৩৪টি), সিএসই বিভাগের অধ্যাপক মোঃ ইব্রাহিম আব্দুল্লাহ (১২১টি), গণিত বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক ড. এম. আনিছুর রহমান (১২১টি), অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শাহেদ আহমেদ (১১৯টি), ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাঃ জাহাঙ্গীর হোসেন (১১৭টি), আইসিটি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ সাদেক আলী (১১৭টি) ভোট পেয়েছেন।


এছাড়া হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. শেলিনা নাসরীন (১১৭টি), সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব জয়শ্রী সেন (১১৭টি), বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ রবিউল হোসেন (১১৬টি), আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার (১১৬টি), বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. হোসাইন মোঃ ফারুকী (১১৫টি), ই ই ই বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ মাহবুবর রহমান (১১৪টি) ও ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আতিকুর রহমান (১১৪টি) ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।


নির্বাচনে মোট ২৫২টি ভোটের মধ্য ২২৫টি ভোট কাস্টিং হয়। এর মধ্যে নির্বাচনীয় নীতিমালা লঙ্ঘিত হওয়ায় ৭টি ভোট বাতিল হয়ে মোট ২১৮টি ভোট বৈধ বলে গণ্য হয়।


নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. দেবাশীষ শর্মা বলেন, ‘আমি আমার সকল সহকর্মীদের মতামতকে সম্মান করি। নির্বাচনে তারা তাদের একান্ত মতামত প্রকাশ করেছেন। তারা যাদেরকে ভাল মনে করেছেন তাদেরকে ভোট দিয়েছেন। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে যারা সহযোগিতা করেছেন সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।'


উল্লেখ্য, ফোরামের গঠন প্রক্রিয়া অনুযায়ী সকল সদস্যই নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত ১৫ জন নির্বাচিত হন। পরে নির্বাচিতগণ সমন্বয় ও আলোচনা সাপেক্ষে সভাপতি-সম্পাদক ও অন্যান্য মোট ১৫ সদস্য বিশিষ্ট পদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে থাকেন।

শিক্ষা এর আরও খবর: